We use cookies and other technologies on this website to enhance your user experience.
By clicking any link on this page you are giving your consent to our Privacy Policy and Cookies Policy.
হাশরের ময়দান বিচার দিবস  (Bichar Dibosh) icon

হাশরের ময়দান বিচার দিবস (Bichar Dibosh)

1.1 for Android

The description of হাশরের ময়দান বিচার দিবস (Bichar Dibosh)

হাশর আরবি শব্দ। হাশর অর্থ একত্র হওয়া, জড়ো হওয়া ইত্যাদি। তবে হাশরের দিনের বিভিন্ন নাম রয়েছে। যেমন- ইয়াউমুল হিসাব বা হিসাবের দিবস, ইয়াউমুল জাযা বা প্রতিদান দিবস, ইয়াওমুল মিয়াদ বা প্রতিশ্রুত দিবস, ইয়াওমুল জামেই বা একত্র হওয়ার দিবস, ইয়াওমুল মাহশার বা সমাবেশ দিবস ইত্যাদি।

যে মাঠে সমাবেশ ঘটবে, তাকে বলা হয় ময়দানে মাহশার বা সমাবেশের স্থল। পরকালে বিচারের জন্য কবর থেকে উত্থিত হয়ে সব প্রাণী এ মাঠে দণ্ডায়মান থাকবে।

পৃথিবীই হবে হাশরের মাঠ। হাদিসের ভাষ্য মতে, পৃথিবীর উপরিভাগে একটি চাদর রয়েছে, একে পার্শ্ব ধরে টান দেওয়া হবে। ফলে গাছপালা, পাহাড়-পর্বত সাগরে পতিত হবে। অতঃপর সমতল হয়ে যাবে। আল্লাহ তাআলা কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘আর আমি জমিনের উপরিভাগকে (বিচার দিবসে) উদ্ভিদশূন্য মাটিতে পরিণত করে দেব।’ (সুরা : কাহাফ, আয়াত : ৮)
পৃথিবী মানবজাতির জন্য ‘পরীক্ষার স্থান’। পরীক্ষার খাতায় যেমন যা ইচ্ছা লেখা যায়, ঠিক তেমনি পৃথিবীতেও মানুষ যা ইচ্ছা করতে পারে। আল্লাহ এ ক্ষমতা সবাইকে দিয়েছেন। কেউ ইচ্ছে করলে সৃষ্টিকর্তার হুকুম পালন করবে, ইচ্ছে করলে করবে না। তবে সব পরীক্ষারই একটা ফলাফল থাকে। দুনিয়া নামক পরীক্ষারও ফলাফল থাকবে। রোজ হাশরে ময়দানে আল্লাহ তার পুরস্কার দান করবেন, পরীক্ষায় ফেল করলে তার জন্য শাস্তি। আল্লাহও তার বান্দাদের পুরস্কার এবং শাস্তি দিবেন।

এই বাক্যগুলোতে মহান আল্লাহ বলছেন:

(৬) সে প্রশ্ন করে, কখন কিয়ামত দিবস সমাগত হবে? (৭) যখন চোখ আতঙ্কে চমকে যাবে বা স্থির হয়ে যাবে। (৮) এবং চাঁদ জ্যোতিহীন হয়ে পড়বে। (৯) এবং সূর্য ও চাঁদকে একত্র করা হবে। (১০) সেদিন মানুষ বলবে, ‘আজ পালানোর স্থান কোথায়?’ (১) না, কখনও এমন নয়, কোনো আশ্রয়স্থলই নেই! (১২) সেদিন কেবল তোমার প্রতিপালকের কাছে ঠাঁই হবে। (১৩) সেদিন মানুষকে জানানো হবে সে অগ্রে ও পশ্চাতে কী করেছিল।

পরে আমি (পুলসিরাত থেকে) মুত্তাকিদের উদ্ধার করব। আর জালিমদের সেখানে নতজানু অবস্থায় রেখে দেব। (সুরা : মারিয়াম, আয়াত : ৭২)

পুলসিরাত অতিক্রম করা সম্পর্কে রাসূলুলস্নাহ (সা.) বলেছেন, 'সেদিন কেউ বিদু্যতের গতিতে, কেউ বাতাসের গতিতে, কেউ ঘোড়ার গতিতে, কেউ আরোহীর গতিতে, কেউ দৌড়িয়ে, আবার কেউ হাঁটার গতিতে (পুলসিরাত) অতিক্রম করবে।' (তিরমিজি, দারেমি)। উম্মুল মোমিনিন হজরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুলস্নাহ (সা.) বলেছেন, 'জাহান্নামের ওপর একটি পুল আছে, যা চুলের চেয়েও বেশি চিকন আর তরবারির চেয়েও বেশি ধারালো। এর ওপর লোহার শিকল ও কাঁটা থাকবে। মানুষ এর ওপর দিয়েই গমন করবে। কেউ চোখের পলকে, কেউ বিদু্যৎ গতিতে, কেউ বায়ুবেগে আর কেউ উত্তম ঘোড়া

\হও উটের গতিতে পুলসিরাত পার হবে। আর ফেরেশতারা বলতে থাকবে, হে প্রভু! সহিসালামতে অতিক্রম করাও, হে প্রভু! নিরাপদে পার করাও। কেউ নাজাত পাবে, কেউ আহত হবে, কেউ উপুড় হয়ে পড়ে যাবে আর কেউ অধঃমুখী হয়ে জাহান্নামে পড়ে যাবে।' (মুসনাদে ইমাম আহমদ: ২৪৮৪৭)।
Show More

Additional Information

Advertisement
Comment Loading...
Ooops! No such content!
Popular Apps In Last 24 Hours
Download
APKPure App